এই যে বিটপি শ্রেণি হেরি সারি সারি-

কি আশ্চর্য শোভাময় যাই বলিহারি।
কেহবা সরল সাধুহৃদয় যেমন,

ফলভারে নত কেহ গুণীর মতন।
এদের স্বভাব ভালো মানবের চেয়ে

, ইচ্ছা যার দেখ দেখ জ্ঞানচক্ষে চেয়ে।

যখন মানবকুল ধনবান হয়

তখন তাদের শির সমুন্নত রয়।
কিন্তু ফলশালী হলে এই তরুগণ,

অহংকারে উচ্চ শির না করে কখন।
ফলশূন্য হলে সদা থাকে সমুন্নত,

নীচ প্রায় কার ঠাঁই নহে অবনত।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

মোতাহের হোসেন চৌধুরী 'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন'-এর অন্যতম কান্ডারি ছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

নদীর গতিতে মনুষ্যত্বের দুঃখ-বেদনা স্পষ্ট হয়ে ওঠে বলে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকেই মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন।
নদীর চলার গতি সহজ নয়। চলার পথে তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফুলের ফোটার সঙ্গে নদীর গতির তুলনা করে নদীর গতির মাঝেই মনুষ্যত্বের সাদৃশ্য লক্ষ করেছেন। নদীর গতিতে মনুষ্যত্বের দুঃখ যতটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে বৃক্ষের ফুল ফোটানোয় ততটা স্পষ্ট হয় না। তাই কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকেই মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

প্রবন্ধের প্রশ্নোক্ত উক্তিটি পরার্থপরতার দিক দিয়ে উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে।
মোতাহের হোসেন চৌধুরী তাঁর 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বলেছেন, অপরের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার মধ্যেই জীবনের প্রকৃত সার্থকতা নিহিত। বৃক্ষ কেবল মাটির রস গ্রহণ করে নিজেকে কেবল পরিপুষ্টই করে না বরং ফুল-ফল দান করে। মানুষেরও উচিত বৃক্ষের মতো সাধনা করে নিজেদের পরোপকারী হিসেবে গড়ে তোলা। উদ্দীপকের কবিতাংশে বৃক্ষের সাধনা, ত্যাগ, সেবা ও বিনয়ের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। বৃক্ষের বিকাশ পূর্ণতা পায় পরার্থে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। বৃক্ষ তার ফুল, ফল ও ছায়া দিয়ে প্রাণিকুলকে রক্ষা করে। কিন্তু তবুও ফল ধরলে বৃক্ষ গুণী ব্যক্তির মতোই নতজানু হয়ে দীনতার ভাব বজায় রাখে, 'যা মানবজীবনের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্যকে তুলে ধরে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে মোতাহের হোসেন চৌধুরীও এ বিষয়ে আলোকপাত করেছেন। বৃক্ষ আমাদের পরার্থে আত্মনিবেদনের যে শিক্ষা দেয়, তাতেই জীবনের সার্থকতা নিহিত। এভাবে বৃক্ষের শিক্ষামূলক দিকগুলো তুলে ধরার মাধ্যমেই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বৃক্ষ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মানবজীবনের পরার্থপরতার দিকটি তুলে ধরলেও বৃক্ষের বাকি দিক তুলে না ধরায় 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বর্ণিত বৃক্ষের আংশিক পরিচিতি প্রদান করে।
'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বলেছেন বৃক্ষের দিকে তাকালে জীবনের তাৎপর্য উপলব্ধি সহজ হয়। প্রাবন্ধিক বৃক্ষকে মানবজীবনের সজীবতা ও স্বার্থকতার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি আরও বলেছেন বৃক্ষের সাধনায় যেমন ধীরস্থির ভাব রয়েছে মানব জীবনের সাধনাও ঠিক তেমন। বৃক্ষ সর্বদা নতি, শান্তি ও সেবার বাণী প্রচার করে এবং নীরব ভাষায় সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। বৃক্ষের ইতিহাস কেবলি বৃদ্ধির ইতিহাস সেইসঙ্গে বৃক্ষ প্রশান্তির ইঙ্গিতও প্রদান করে। অতি শান্ত ও সহিষ্ণুতায় বৃক্ষ জীবনের গুরুভার বহন করে। দ্দীপকের কবিতাংশে বৃক্ষের সাধনা, ত্যাগ, সেবা ও বিনয়ের দিকগুলো প্রকাশিত হয়েছে, যা মানবজীবনকে সার্থক করে তুলতে অপরিহার্য। নানাভাবে প্রাণিকুলকে সাহায্য করলেও তার মধ্যে এ নিয়ে কোনো অহংকার নেই বরং গাছজুড়ে ফল ধরলে গুণী ব্যক্তির মতোই নতজানু য়ে সে বিনয় প্রকাশ করে। উদ্দীপকের এ দিকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধেও প্রকাশ পেয়েছে।
ইবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বৃক্ষের সামগ্রীক জীবনাচার তুলে ধরেছেন। অন্যদিকে, উদ্দীপকের কবিতাংশে পরার্থে আত্মনিবেদনে বৃক্ষের যে বেদান আমাদের জীবনকে মহিমান্বিত করতে পারে তার ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে। অর্থাৎ উদ্দীপকে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মানবজীবনের ক্ষেত্রে ক্ষের যে সামগ্রীক ভূমিকা তা আলোচনা করা হয়নি পরার্থপরতার দিক তুলে আনা হয়েছে মাত্র। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
106


সমাজের কাজ কেবল টিকে থাকার সুবিধা দেওয়া নয়, মানুষকে বড় করে তোলা, বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের জীবনে আগ্রহ জাগিয়ে দেওয়া। স্বল্পপ্রাণ স্থূলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ। তাদের কাজ নিজের জীবনকে সার্থক ও সুন্দর করে তোলা নয়, অপরের সার্থকতার পথে অন্তরায় সৃষ্টি করা। প্রেম ও সৌন্দর্যের স্পর্শ লাভ করেনি বলে এরা নিষ্ঠুর ও বিকৃতবুদ্ধি। এদের একমাত্র দেবতা অহংকার। তারই চরণে তারা নিবেদিতপ্রাণ । ব্যক্তিগত অহংকার, পারিবারিক অহংকার, জাতিগত অহংকার- এ সবের নিশান ওড়ানোই এদের কাজ। মাঝে মাঝে মানবপ্রেমের কথাও তারা বলে। কিন্তু তাতে নেশা ধরে না, মনে হয় আন্তরিকতাশূন্য, উপলব্ধিহীন বুলি ।
এদের স্থানে এনে দিতে হবে বড় মানুষ— সূক্ষ্মবুদ্ধি উদারহৃদয় গভীরচিত্ত ব্যক্তি, যাদের কাছে বড় হয়ে উঠবে জীবনের বিকাশ, কেবল টিকে থাকা নয়। তাদের কাছে জীবনাদর্শের প্রতীক হবে প্রাণহীন ছাঁচ বা কল নয়, গতি আছে, সজীব বৃক্ষ— যার বৃদ্ধি আছে, বিকাশ আছে, ফুলে ফলে পরিপূর্ণ হয়ে অপরের সেবার জন্য প্রস্তুত হওয়া যার কাজ । বৃক্ষের জীবনের গতি ও বিকাশকে উপলব্ধি করা দরকার, নইলে সার্থকতা ও পরিপূর্ণতার ছবি চোখের সামনে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হবে না ।
বৃক্ষের দিকে তাকালে জীবনের তাৎপর্য উপলব্ধি সহজ হয়। তাই, বারবার সেদিকে তাকানো প্রয়োজন । মাটির রস টেনে নিয়ে নিজেকে মোটাসোটা করে তোলাতেই বৃক্ষের কাজের সমাপ্তি নয় । তাকে ফুল ফোটাতে হয়, ফল ধরাতে হয়। নইলে তার জীবন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। তাই বৃক্ষকে সার্থকতার প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করার প্রয়োজনীয়তা সজীবতা ও সার্থকতার এমন জীবন্ত দৃষ্টান্ত আর নেই।
অবশ্য রবীন্দ্রনাথ অন্য কথা বলেছেন। ফুলের ফোটা আর নদীর গতির সঙ্গে তুলনা করে তিনি নদীর গতির মধ্যেই মনুষ্যত্বের সাদৃশ্য দেখতে পেয়েছেন। তাঁর মনে মনুষ্যত্বের বেদনা নদীর গতিতেই উপলব্ধ হয়, ফুলের ফোটায় নয় । ফুলের ফোটা সহজ, নদীর গতি সহজ নয়— তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়। কিন্তু ফুলের ফোটার দিকে না তাকিয়ে বৃক্ষের ফুল ফোটানোর দিকে তাকালে বোধহয় রবীন্দ্রনাথ ভালো করতেন। তপোবনপ্রেমিক রবীন্দ্রনাথ কেন যে তা করলেন না বোঝা মুশকিল ।
জানি, বলা হবে : নদীর গতিতে মনুষ্যত্বের দুঃখ যতটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে বৃক্ষের ফুল ফোটানোয় তা তত স্পষ্ট হয়ে ওঠে না । তাই কবি নদীকেই মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন ।উত্তরে বলব : চর্মচক্ষুকে বড় না করে কল্পনা ও অনুভূতির চক্ষুকে বড় করে তুললে বৃক্ষের বেদনাও সহজে উপলব্ধি করা যায়। আর বৃক্ষের সাধনায় যেমন একটা ধীরস্থির ভাব দেখতে পাওয়া যায়, মানুষের সাধনায়ও তেমনি একটা ধীরস্থির ভাব দেখতে পাওয়া যায়, আর এটাই হওয়া উচিত নয় কি? অনবরত ধেয়ে চলা মানুষের সাধনা হওয়া উচিত নয় । যাকে বলা হয় গোপন ও নীরব সাধনা তা বৃক্ষেই অভিব্যক্ত, নদীতে নয় । তাছাড়া বৃক্ষের সার্থকতার ছবি যত সহজে উপলব্ধি করতে পারি, নদীর সার্থকতার ছবি তত সহজে উপলব্ধি করা যায় না। নদী সাগরে পতিত হয় সত্য, কিন্তু তার ছবি আমরা প্রত্যহ দেখতে পাই না । বৃক্ষের ফুল ফোটানো ও ফল ধরানোর ছবি কিন্তু প্রত্যহ চোখে পড়ে । দোরের কাছে দাঁড়িয়ে থেকে সে অনবরত নতি, শান্তি ও সেবার বাণী প্রচার করে ।
সাধনার ব্যাপারে প্রাপ্তি একটা বড় জিনিস । নদীর সাগরে পতিত হওয়ায় সেই প্রাপ্তি স্পষ্ট হয়ে ওঠে না। সে তো প্রাপ্তি নয়, আত্মবিসর্জন। অপরপক্ষে বৃক্ষের প্রাপ্তি চোখের সামনে ছবি হয়ে ফুটে ওঠে। ফুলে ফলে যখন সে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে তখন আপনা থেকেই বলতে ইচ্ছা হয় : এই তো সাধনার সার্থকতা। বৃক্ষে প্রাপ্তি ও দান । সৃজনশীল মানুষেরও প্রাপ্তি ও দানে পার্থক্য দেখা যায় না। যা তার প্রাপ্তি তা-ই তার দান ।
বৃক্ষের পানে তাকিয়ে রবীন্দ্রনাথ নিশ্চয়ই অন্তরের সৃষ্টিধর্ম উপলব্ধি করেছেন । বহু কবিতায় তার পরিচয় পাওয়া যায়। কিন্তু গদ্যে তিনি তা স্পষ্ট করে বলেননি। বললে ভালো হতো। তাহলে নিজের ঘরের কাছেই যে সার্থকতার প্রতীক রয়েছে, সে সম্বন্ধে আমরা সচেতন হতে পারতাম ।
নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোনো হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপরে তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা । মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও । মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না। সুখ-দুঃখ-বেদনা উপলব্ধির ফলে অন্তরের যে পরিপক্বতা, তাই তো আত্মা । এই আত্মারূপ ফল স্রষ্টার উপভোগ্য । তাই মহাকবির মুখে শুনতে পাওয়া যায় : ‘Ripeness is all’- পরিপক্বতাই সব। আত্মাকে মধুর ও পুষ্ট করে গড়ে তুলতে হবে। নইলে তা স্রষ্টার উপভোগের উপযুক্ত হবে না। বিচিত্র অভিজ্ঞতা, প্রচুর প্রেম ও গভীর অনুভূতির দ্বারা আত্মার পরিপুষ্টি ও মাধুর্য সম্পাদন সম্ভব। তাই তাদের সাধনাই মানুষের শিক্ষার প্রধান বিষয়বস্তু। বস্তুজিজ্ঞাসা তথা বিজ্ঞান কখনো শিক্ষার প্রধান বিষয়বস্তু হতে পারে না। কেননা, তাতে আত্মার উন্নতি হয় না- জীবনবোধ ও মূল্যবোধে অন্তর পরিপূর্ণ হয় না; তা হয় সাহিত্য-শিল্পকলার দ্বারা। তাই শিক্ষাক্ষেত্রে তাদের এত মূল্য।
ওপরে যে বৃদ্ধির কথা বলা হলো বৃক্ষের জীবন তার চমৎকার নিদর্শন। বৃক্ষের অঙ্কুরিত হওয়া থেকে ফলবান হওয়া পর্যন্ত সেখানে কেবলই বৃদ্ধির ইতিহাস। বৃক্ষের পানে তাকিয়ে আমরা লাভবান হতে পারি— জীবনের গূঢ় অর্থ সম্বন্ধে সচেতন হতে পারি বলে।
বৃক্ষ যে কেবল বৃদ্ধির ইশারা তা নয়- প্রশান্তিরও ইঙ্গিত। অতি শান্ত ও সহিষ্ণুতায় সে জীবনের গুরুভার বহন করে।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews